শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্নে আবার জ্বলে উঠুক আমাদের বাংলাদেশ ইসলামপুরে এফ এইচ খান বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষাথীদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ ইসলামপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে শিক্ষককে মারধর ভোক্তাদের ভিন্নধর্মী ক্যাটারিং অভিজ্ঞতা দিতে হুয়াওয়ের সাথে সোডেক্সো প্রায় ২০০ এর অধিক মৃতের কবর খনন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে জুয়েল ও সহযোগী হিমেল গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ির দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত স্যামসাং আনপ্যাকড ইভেন্ট-ওয়েলকাম টু দ্য এভরিডে এপিক শহিদ মিনারের দাবীতে ইসলামপুরে ৯৭ব্যাচের মানববন্ধন এমদাদুল হক খান চান স্যার স্মৃতি ফাউন্ডেশনের শীতবস্ত্র বিতরণ নৌকা হলো উন্নয়ন ও ভাগ্য পরিবর্তনের প্রতিক,ব্যক্তিকে নয় নৌকাকে ভালোবাসি


শ্রীপুরে সারঙ্গদিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে লাগেনি উন্নয়নের ছোঁয়া জরাজীর্ণ টিনশেড ঘরে চলছে পাঠদান

মুজাহিদ শেখ, শ্রীপুর(মাগুরা) প্রতিনিধিঃ
মাগুরা শ্রীপুর উপজেলায় বিভিন্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে উন্নয়নের ছোঁয়া লাগলেও কোন উন্নয়নের ছোঁয়া লাগেনি ২৫ বছরের সারঙ্গদিয়া মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ে। এক দিকে বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়ন হয়নি অন্য দিকে নিজস্ব ক্যাসমেট এলাকার শিক্ষার্থীরা অন্যত্রে ভর্তি হতে চেষ্টা করাতে দিন দিন কমে যাচ্ছে শিক্ষার্থী সংখ্যা।

সরেজমিন বিদ্যালয়ে গিয়ে জানা যায়, ১৯৯৫ সালে প্রধানমন্ত্রীর সাবেক অতিরিক্ত সচিব মরহুম আলহাজ্ব জোয়াদার আবুল কাসেম তাঁর পিতা মরহুম আব্দুল মজিদ জোয়াদারের নামে ১ একর পঁচিশ শতক জমির উপর উপজেলার শ্রীপুর ইউনিয়নের সারঙ্গদিয়া আব্দুল জোয়াদার মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা করেন।

মাগুরা -১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য মরহুম ডাঃ এম এস আকবর -এর পৃষ্টপোষকতায় ১৯৯৫ সালে জুনিয়র পর্যন্ত এমপিও ভুক্ত হয়। ২০০৩ সালে নবম ও দশম শ্রের্ণীতে উন্নীত করা হয়। ১৯৯৫ সালের শুরু থেকেই তিন কক্ষ বিশিষ্ট টিনশেড ঘরেই চলছে পাঠদান কার্যক্রম।

শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিতে বর্তমানে ২ শত পাঁচজন ছাত্রী ও ৯ জন শিক্ষক রয়েছেন। নবম ও দশম শ্রের্ণী উন্নীতের পর ৩ জন শিক্ষক ও ১ জন চতুর্থ শ্রের্ণীর কর্মচারী নিয়োগ দেওয়া হলেও তারা এখনো এমপিও ভুক্ত হতে না পারায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন। ১৯৯৫ সালে নির্মিত টিনশেড ঘরটি এখন জরাজীর্ণ হয়ে গেছে, ভেঙ্গে পড়েছে টিনের বারান্দা, দরজা জানালা। আসবাবপত্র ছাড়াও চেয়ার -টেবিলসহ ছাত্রীদের বসার বেঞ্চের স্বল্পতা। নেই মেয়েদের ওয়াশরুম।

২০০৫ সালে জনশক্তি ব্যুরো থেকে ১টি ২কক্ষ বিশিষ্ট পাকা ভবন তৈরী করা হয় । সামান্য বৃষ্টি হলেই এ ভবন থেকে শ্রের্ণী কক্ষে পানি পড়ে। ছাদ থেকে খশে পড়ে পলেস্তরা। ছাদের প্লাস্টার ফেটে যখন তখন সিলিং ফ্যান পড়ে ঘটতে পারে বড় ধরনের দূর্ঘটনা।

এই ডিজিটাল যুগে নেই কম্পিউটার ল্যাব। ভাষা শহীদের স্মরণের নেই শহীদ মিনার । বিদ্যালয়ে প্রবেশ মুখে নেই কোন সাইনবোর্ড বা সিমানা প্রাচীর।

এ ব্যাপারে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির সভাপতি উপজেলা মহিলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি জোয়াদার স্বর্ণালী রিয়া বলেন, বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নের ব্যাপারে মাগুরা-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য এ্যাড সাইফুজ্জামান শিখরকে বলেছি।

তিনি আশ্বস্ত করেছেন। বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, বিদ্যালয়ের অবকাঠামো উন্নয়নের ব্যাপারে কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। চলতি মাসেই মাননীয় সংসদ সদস্য মাগুরা-১ মহোদয়কে লিখিত আকারে আবেদন পত্র দিয়েছি। অত্র এলাকার বাসিন্দা মোঃ নাসিরুল ইসলাম বলেন, প্রতিষ্ঠানটির প্রতি জনপ্রতিনিধিদের সুদৃষ্টি নেই।

A House of M.R.Multi-Media Ltd
Design & Development By ThemesBazar.Com