শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্নে আবার জ্বলে উঠুক আমাদের বাংলাদেশ ইসলামপুরে এফ এইচ খান বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষাথীদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ ইসলামপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে শিক্ষককে মারধর ভোক্তাদের ভিন্নধর্মী ক্যাটারিং অভিজ্ঞতা দিতে হুয়াওয়ের সাথে সোডেক্সো প্রায় ২০০ এর অধিক মৃতের কবর খনন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে জুয়েল ও সহযোগী হিমেল গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ির দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত স্যামসাং আনপ্যাকড ইভেন্ট-ওয়েলকাম টু দ্য এভরিডে এপিক শহিদ মিনারের দাবীতে ইসলামপুরে ৯৭ব্যাচের মানববন্ধন এমদাদুল হক খান চান স্যার স্মৃতি ফাউন্ডেশনের শীতবস্ত্র বিতরণ নৌকা হলো উন্নয়ন ও ভাগ্য পরিবর্তনের প্রতিক,ব্যক্তিকে নয় নৌকাকে ভালোবাসি


বাংলা সংগীতের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র সঞ্জীব চৌধুরী আজকের দিনে চলে গেলেন পরপারে

বাংলা সংগীতের উজ্জ্বলতম নক্ষত্র সঞ্জীব চৌধুরী। ছিলেন রকবাজ, ছিলেন স্বপ্নবাজ। এই কিংবদন্তি সংগীতশিল্পীর ১৩তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০০৭ সালের এমন দিনে মাত্র ৪২ বছর বয়সে প্রয়াত হন তিনি।

সঞ্জীব চৌধুরী ছিলেন ‘দলছুট’ ব্যান্ডের প্রতিষ্ঠাদের একজন। ছিলেন কবি ও সাংবাদিক। গান আর কবিতায় মোড়া ছিল যার ভুবন। স্পষ্টবাদী চিত্তে কথা বলেছেন, লিখেছেন গান-কবিতা। ক্ষণজন্মা এ শিল্পী ১৯৬৪ সালের ২৫ ডিসেম্বর হবিগঞ্জের মাকালকান্দি গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। বাবার নাম গোপাল চৌধুরী এবং মা প্রভাষিনী চৌধুরী।

ঢাকা কলেজে পড়াকালীন সঞ্জীব জড়িয়ে পড়েন ছাত্র ইউনিয়নের রাজনীতিতে। কলেজ পাঠ শেষে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন। ‘গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা’ বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। তখনো তিনি ছিলেন ছাত্ররাজনীতির নিবেদিত প্রাণ, ছাত্র ইউনিয়নের সাংস্কৃতিক সম্পাদক।

সঞ্জীব চৌধুরী গাওয়া গানের মধ্যে ‘আমি তোমাকেই বলে দেবো’, ‘গাছ’, ‘আহ ইয়াসমিন’, ‘আমি ফিরে পেতে চাই’, ‘কালা পাখি’, ‘কোথাও বাঁশি’, ‘দিন সারা দিন’, ‘নৌকা ভ্রমণ’, ‘সাদা ময়লা রঙ্গিলা’, ‘তোমার ভাঁজ খোল আনন্দ দেখাও’, ‘গাড়ি চলে না’, ‘বায়োস্কোপ, ‘সমুদ্র সন্তান’ কিংবা ‘সান গ্লাস’ উল্লেখযোগ্য।

তার লেখা বইগুলো হলো ‘রাশপ্রিন্ট’ ও ‘সমুদ্রমন্থন’। পড়াশুনা শেষ করে আশির দশকে সাংবাদিকতা শুরু করেন সঞ্জীব চৌধুরী। ভোরের কাগজ, আজকের কাগজ ও যায়যায়দিনসহ বিভিন্ন দৈনিক ও সাপ্তাহিক পত্রিকায় কাজ করেছেন তিনি। সর্বশেষ কাজ করছিলেন যায়যায়দিনের ফিচার এডিটর হিসেবে।

সঞ্জীব চৌধুরী ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন খন্দকার আকলিমা নাসরিন শিল্পীকে। তাদের একমাত্র কন্যা কিংবদন্তি চৌধুরী। প্রতি বছরই এ সঙ্গীতশিল্পী স্মরণে টিএসসিতে আয়োজিত হয় ‘সঞ্জীব উৎসব’। কিন্তু এ বছর করোনার কারণে আয়োজিত হচ্ছে না এই কনসার্ট।

A House of M.R.Multi-Media Ltd
Design & Development By ThemesBazar.Com