শিরোনাম :
অপু-নিরবরা শুটিং শেষ না করে ফিরে এলেন একই রোল নিয়ে যাবে পরের ক্লাসে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা মরিচা ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রী’র প্রকল্প আশ্রয়ন-২ এর আয়তায় ছিন্নমুল গৃহহীন পরিবার কে পুনর্বাসন মাগুরায় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন সুনামগঞ্জ পৌরসভায় ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে পৌর পানি শোধনাগারের উদ্বোধন বীরগঞ্জের ঝাড়বাড়ী গড়ফতু ডাঙ্গায় মহিলা মহিলায় দাঙ্গা থানায় স্বর্নলংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগ। লক্ষণাবন্দ ইউনিয়ন বিএনপির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহে চলছে ভন্ড কবিরাজদের চিকিৎসার নামে প্রতারনা সরিষাবাড়ীতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে মাস্ক বিতরণ মেয়র প্রার্থীর আসন্ন দিরাই পৌরসভা নির্বাচন, মেয়র পদে আওয়ামীলীগ বিএনপির অর্ধডজন প্রার্থীর দৌঁড়ঝাপ


অনলাইনে সরকারি- খাদ্য গুদামে কৃষকের ধান বিক্রয়ের নিবন্ধন ও আবেদন চলছে

গুলজার হোসেন সরিষাবাড়ী প্রতিনিধি ঃ জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার সকল কৃষকের জন্য দারুন সুখবর। গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার খাদ্য অধিদপ্তর, খাদ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক সকল জেলা ও উপজেলা ভিত্তিক মোবাইল অ্যাপসের মাধ্যমে সরকারি গুদামে প্রতি মণ আমন ধান ১০৪০ টাকা দরে বিক্রয় করার নিবন্ধন ও আবেদন চলছে।

উক্ত নিবন্ধনের শেষ তারিখ ( ২০ নভেম্বর  ২০২০)পর্যন্ত বলে জানা গেছে। নতুন কৃষক নিবন্ধন করলেই তাঁর ধান বিক্রয়ের আবেদন স্বয়ংক্রিয় ভাবে হয়ে যাবে। তবে নিবন্ধনকৃত পুরাতন কৃষকের ধান বিক্রয়ের আবেদন করতে হবে।

নিবন্ধন বিষয়ে জানতে চাইলে, উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা,  পৌরসভা/ ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের উদ্যোক্তা, খাদ্য গুদামের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক ও জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কাছে জেনে নিতে পারবেন কৃষকেরা।

এ বিষয়ে সরিষাবাড়ী উপজেলা খাদ্য গুদাম কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মুহাম্মদ বাবুল মিয়া জানান, দেশ এখন ডিজিটালাইজ গতিতে এগিয়ে চলছে। যে কোন স্মার্ট ফোন হতে গোগল প্লে ষ্টোর এর মাধ্যমে কৃষকের অ্যাপ সফটওয়্যারটি ডাউনলোড করে এ নিবন্ধন টি সম্পূর্ণ করা যায়।

নিবন্ধন করতে লাগবে একজন কৃষকের জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর এবং মোবাইল নম্বর। অ্যাপ এর মাধ্যমে একজন কৃষক নিবন্ধন করলে যে সুবিধাগুলো সে পাবে তা হলো।

১, নিবন্ধন বিক্রয়ের আবেদন, বরাদ্দ আদেশ এবং মূল্য পরিশোধের সনদ সম্পর্কিত সকল তথ্য এস, এম, এস এর মাধ্যমে পাওয়া যাবে। ২, সময়, খরচ, হয়রানি ও ভোগান্তি কমবে।৩, মধ্যস্বত্বভোগীদের দৌরাত্ম্য থাকবে না। ৪, নিবন্ধন ও আবেদন সম্পন্ন হওয়ার পর কম্পিউটারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে লটারি করা হবে। যাতে করে কারো কোন অভিযোগ বা আপত্তিকর প্রশ্ন না থাকে।

তিনি আরও বলেন এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানতে কৃষকেরা ৩৩৩ নম্বরে কল করে জেনে নিতে পারবেন তাদের নিবন্ধন ও আবেদনকৃত বিষয়াদি বলে জানান।

A House of M.R.Multi-Media Ltd
Design & Development By ThemesBazar.Com