শিরোনাম :
চান্দিনায় গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক কক্সবাজার সাহিত্য একাডেমির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন ১৯ ডিসেম্বর প্রেমিকের আত্মহত্যার ৩ দিন পর প্রেমিকার আত্মহত্যা জামালপুর ৪ ডিসেম্বর থেকে শত্রুমুক্ত অপু-নিরবরা শুটিং শেষ না করে ফিরে এলেন একই রোল নিয়ে যাবে পরের ক্লাসে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা মরিচা ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রী’র প্রকল্প আশ্রয়ন-২ এর আয়তায় ছিন্নমুল গৃহহীন পরিবার কে পুনর্বাসন মাগুরায় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন সুনামগঞ্জ পৌরসভায় ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে পৌর পানি শোধনাগারের উদ্বোধন বীরগঞ্জের ঝাড়বাড়ী গড়ফতু ডাঙ্গায় মহিলা মহিলায় দাঙ্গা থানায় স্বর্নলংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগ।


“ চরিত্রহীন দূর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন, হাইকোর্টের রায় ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের আদেশ মানেন না ”

অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন

প্রকাশ্য কলেজের একমাত্র ছাত্রী শাহারা জেরিনের জন্মদিন পালন করেন অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন।

বিশেষ প্রতিনিধি ::
মিরপুর ১ এ অবস্থিত হযরত শাহ্ আলী মহিলা কলেজের অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন দূর্নীতিতে রেকর্ড গড়ে চরিত্রহীনতার সীমা ল্ঘংন করে হাইকোর্ট বিভাগের রায় ও জাতীয় বিশ্ব বিদ্যালয়ের আদেশ অমান্য করেও এখনও স্বপদে বহাল তবিয়তে আছেন।

হাইকোর্ট বিভাগের রীট পিটিশন নং ২৩০/২০১৭ এর ২৫/১১/২০১৯ তারিখের রায় এবং জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় অধিভুক্ত কলেজ/শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান সমূহের গভর্নিং বডি (সংশোধিত) সংবিধি ২০১৯-এর ধারা ৭ অনুযায়ী গভর্নিং বডির বর্তমান সভাপতি পরিবর্তন করে তদস্থলে অবশিষ্ট মেয়াদ ২৬/১১/২০২১ তারিখ পর্যন্ত এ কে এম আমির হোসেন (সাবেক সচিব) কে গর্ভনিং বডির সভাপতির মনোনয়ন পদে দেন জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়।

কিন্তু চরিত্রহীন দূর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন নিজের অপকর্ম ঢাকতে নতুন সভাপতিকে মানবেন না বলে এখন পর্যন্ত দেখাই করেন নাই। নতুন সভাপতি এ কে এম আমির হোসেন নিজ থেকে অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিনকে ফোন করে শিক্ষক কর্মচারীদের বেতনের জন্য দেখা করতে বললে ময়েজ উদ্দিন জানায়, সে দেখা করতে পারবেনা।

সে আগের সভাপতিকে পুর্নবহালের অপেক্ষায় আছে। অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন ভালো করেই জানে নতুন সভাপতিকে মেনে নিলে গভর্নিং বডির সভার আয়োজন করতে হবে আর সভা অনুষ্ঠিত হলেই তার চরিত্রহীনতা ও দূর্নীতির খবর প্রকাশ হয়ে যাবে তখন গভর্নিং বডির সিদ্ধান্তে তাকে অধ্যক্ষের পদ হারাতে হবে।

অবশ্য নীতিমালা অনুযায়ী যদি গভর্নিং বডির সভা অনুষ্ঠিত হতো আর বডির সভাপতি সদস্যরা চাইতো তাহলে অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন বরখান্ত হতো যেহেতু দীর্ঘ দিন কোন গভর্নিং বডির সভা হয়নি ময়েজ উদ্দিনের ও কিছু হয়নি।

নিজের অপরাধ আড়াল করে নতুন সভপতির সাথে অধ্যক্ষ দেখা না করায় আটকে যায় কলেজের সকল শিক্ষক কর্মচারীর বেতন। অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন অগ্রনী ব্যাংক (মিরপুর শাখা) কে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে, তারা এখন শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন তুলবে না সাবেক সভাপতি পুর্নবাহাল হলে তুলবে ব্যাংক যেন টাকা ফেরত না পাঠায়।

এ বিষয়ে ব্যাংক ম্যানেজার ( মিরপুর-১ শাখা) মজিবর রহমানের কাছে জানতে চাওয়া হলে চিঠি প্রাপ্তির কথা স্বীকার করে তিনি বলেন, চিঠি আমাদের দিয়ে গেছেন ঠিকই কিন্তু অফিসিয়ালী আমরা এখনও তা গ্রহন করিনি আর সরকারী ফান্ডের টাকা নির্দিষ্ট যে সময় পর্যন্ত আমাদের কাছে থাকে তারপর ফেরত চলে যায়। হযরত শাহ্ আলী মহিলা কলেজের টাকাও সেই সময় পর্যন্ত থাকবে তারপর ফেরত যাবে চিঠিতে কোন কাজ হবে না।

অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন যে পরিমান টাকার দূর্নীতি করেছে বাকী জীবন বিনা বেতনে চাকুরী করলেও কোন সমস্যা হবে না কিন্তু নিরীহ অসহায় শিক্ষক কর্মচারী যাদের বেতনের টাকায় সংসার চলে তাদের কি হবে আর ব্যাংকের টাকা যদি ফেরত চলে যায় এই দ্বায়িত্ব কে নেবে ?

প্রফেসর ড. মোঃ মনিরুজ্জামান কলেজ পরিদর্শক (ভারপ্রাপ্ত) জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এর কাছে তাদের আদেশ অমান্যর বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয় গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়নদানের নিরংকুশ ক্ষমতা সংরক্ষন করেন আর সভাপতিকে অধ্যক্ষের বরখান্ত,অপসারনের সকল ক্ষমতা দেওয়া আছে যাকে সভাপতি মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে তিনি যতক্ষন আছেন যে কোন সিদ্ধান্ত নিতে পারবেন।

কোর্টে একটা রীট চলমান, রায় কি হবে জানিনা তবে রায় যাই হউক না কেন গভর্নিং বডির সভাপতি মনোনয়নের এখতিয়ার ভাইস-চ্যান্সেলর মহোদয়ের।

তিনি আরো বলেন, অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন চরম ভাবে আইন অমান্য করেছেন আমরা অবশ্যই এবিষয়ে দ্রæত ব্যবস্থা নিবো।

চরিত্রহীন লম্পট অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন কলেজের এইচ এস সি ( এবারের পরিক্ষার্থী ছিলেন) মানবিক শাখার শিক্ষার্থী শাহারা জেরিন,রোল নং ১২৯ এর মা হেনার সাথে পরকিয়ায় লিপ্ত। ২০১৯ সালে ছাত্রীদের পিকনিকে ছাত্রী শাহারা জেরিন এর মা হেনাকে সঙ্গে নেন অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন।

মায়ের সাথে পরকিয়ার কল্যানে ২০১৯ সালে শাহারা জেরিনের এইচ এস সি পরীক্ষার ফরম বিনা টাকায় পূরন করে দেন অধ্যক্ষ। ইতি মধ্যে হেনাকে নিয়ে সিলেট ট্যুরও সেরেছেন অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন। স্ত্রী সন্তান বাসায় না থাকলে অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন হেনাকে নিয়ে তার ১৪৭ নং বাগান বিলাস,রোড় ৮,দক্ষিন বিশিলের বাসায় প্রায় নিয়ে অসামাজিক কাজে লিপ্ত হন।

ঐ বাড়ীর দারোয়ান বাড়ীর মালিককে ঘটনা জানালে বাড়ীর মালিক অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিনকে জানিয়ে দেন তার বাড়ীতে থাকতে হলে কোন অসামাজিক কাজ করা যাবে না। অধ্যক্ষের স্ত্রী স্বামীর পরকিয়ার প্রতিবাদ করায় তাকে প্রচুর মারধর করেন এবং তালাক দেবার হুমকি দেন।

ছেলে মায়ের পক্ষে প্রতিবাদ করতে গিয়ে অধ্যক্ষের গায়ে হাত তোলেন, অধ্যক্ষ ছেলেকে মানুষ লাগিয়ে মারার হুমকি দেন। বাবার অত্যাচারে অধ্যক্ষের ছেলে বাড়ী ছেড়ে নারায়নগঞ্জ থেকে পড়াশুনা করে। বাড়ীর মালিক ও দারোয়ানের কাছে অধ্যক্ষের অবৈধ সম্পর্কের কথা জানতে চাওয়া হলে তারা সম্পর্কের কথা স্বীকার করেন। মায়ের সাথে পরকিয়া থাকায় ছাত্রী শাহারা জেরিন অনিয়ম করে হলেও সকল সুযোগ সুবিধা দিয়ে থাকেন (রুবিনা আক্তার দিনা মনোবিঞ্জানের শিক্ষককে দিয়ে ছাত্রী শাহানা জেরিনের আবেদন পত্র লিখান। যা অন্য ছাত্রীদের বেলায় নিয়মের মধ্যে থাকলেও কোন সুবিধা দেন না এমন কি মহিলা কলেজের মতো জায়গায় প্রকাশ্য কলেজের একমাত্র ছাত্রী শাহারা জেরিনের জন্মদিন পালন করেন অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন।

প্রকাশ্য কলেজের একমাত্র ছাত্রী শাহারা জেরিনের জন্মদিন পালন করেন অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন।

ছাত্রীর মা হেনার সাথে পরকিয়ার বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে বলেন, মিথ্যা কথা আমার সাথে কারো সম্পর্ক নাই আমার পরিবার আছে । কিন্তু ব্যাস্তবতা হলো হেনা প্রায় কলেজে অধ্যক্ষের জন্য খাবার নিয়ে আসেন যা শিক্ষার্থী,শিক্ষক কর্মচারী কারো অজানা নয় আর তাছাড়া এই প্রতিবেদক যখন দাবী করে আপনার পরকিয়ার ম্যাসেজ ও কথপোকথন সহ বহু প্রমান আমাদের হাতে আছে তখন তাড়াহুড়া করে ফোনের লাইন কেটে দিয়ে মোবাইলের ম্যাসেঞ্জার ও হোয়াটসআপ বন্ধ করে দেন।

ছাত্রীর মা হেনার সাথে প্রেমের কাহিনী কারো অজানা নেই প্রকাশ্য কেউ মুখ না খুললেও এই পরকিয়া সম্পর্ক নিয়ে শিক্ষক কর্মচারী,সবার মধ্যে মুখরোচক আলোচনায় পরিনত হয়েছে। অভিভাবকরা চরিত্রহীন,লম্পট অধ্যক্ষের কারনে তাদের মেয়েকে কলেজে পাঠাতে ভয় পায়। অধ্যক্ষের অপকর্মের কারণে কলেজে ছাত্রী ভর্তি প্রতিনিয়ত কমে যাচ্ছে।

চরিত্রহীন দূর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিনের কারনে হযরত শাহ্ আলী মহিলা কলেজ শিক্ষার্থী শুন্য হলে অবাক হবার কিছু থাকবে না। কলেজকে বাচাঁনোর স্বার্থে দ্রæত চরিত্রহীন,দূর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিনকে বরখাস্ত করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন শিক্ষার্থী,অভিভাবক,শিক্ষক কর্মচারী, মার্কেটের ব্যবসায়ী সহ সাধারণ মানুষ।

অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিনের লাগামহীন দূর্নীতি ক্ষমতার অপব্যবহার চরিত্রহীনতার বিষয়ে মোঃ সাহাদাৎ হোসেন,সহকারী অধ্যাপক,হযরত শাহ্ আলী মহিলা কলেজ এর অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শিক্ষা অধিদপ্তর প্রফেসর অলিউল্লাহ মোঃ আজমতগীর পরিচালক স্বাক্ষরিত পত্রের মাধ্যমে পরিদর্শক টুটুল কুমার নাগ,সহকারী শিক্ষা পরিদর্শক মুকিব মিয়া ও অডিট অফিসার মতিয়ার রহমানকে ১৭/১০/২০২০ হতে ১৯/১০/২০২০ তারিখ পর্যন্ত হযরত শাহ্ আলী কলেজ সরেজমিনে তদন্ত করান।

ইতি পূর্বে অধিদপ্তরে ভয় দেখিয়ে তদন্ত বন্ধ করা হয়েছিল এবারও বাধা দেবার চেষ্ঠা করা হয়েছিল কিন্তু পরিচালক প্রফেসর অলিউল্লাহ মোঃ আজমতগীর আইনের শাষন প্রতিষ্ঠা করতে তার দ্বায়িত্ব পালনে পিছু হটেননি।

অধিদপ্তরের তদন্ত টিমের কাছে নিজের অনিয়ম দূর্নীতিকে ঢাকার জন্য অধিদপ্তরের চিঠি পাবার পর থেকে তার সহযোগী ইসলাম শিক্ষার শিক্ষক ড. মোঃ আব্দুল মুকিম ইংরেজী প্রভাষক মোঃ কছিম উদ্দিন, রুবিনা আক্তার দিনাকে দিয়ে মধ্য রাত পর্যন্ত কলেজে বসে অসংখ্য ভূয়া ভাউচার তৈরী করে ঐ তিন শিক্ষককের সাক্ষর নিয়ে বৈধ্যতা দেবার জন্য তদন্ত টিমকে দিয়েছে অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন।

তদন্ত টিমের ভাউচারে সন্দেহ হলে কলেজের একজনকে দিয়ে মায়ের দোয়া মেটাল এর প্রোপাইটর দ্বীন ইসলামের কাছ থেকে প্রকৃত টাকা প্রাপ্তির পরিমান লিখে আনান। সেই খবর পেয়ে অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন গভীর রাতে দ্বীন ইসলামকে কলেজে ডেকে এনে নিজের মন মতো জোর করে লিখে দ্বীন ইসলামের কাছে স্বাক্ষর নেন। অবশ্য র্দীঘ সময় অনুসন্ধান করার কারনে অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিনের অনিয়ম দূর্নীতি চরিত্রহীনতার ব্যাপক পরিমান অডিও ভিডিও সাক্ষাৎকার সহ কাগজপত্র প্রমানাদি রয়েছে।

যে কারনে মোঃ কছিম উদ্দিন অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিনের কথা শুনে ভূয়া ভাউচারে সাক্ষর করতে বাধ্য হয়। অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন এক এবং দুই নম্বর সিরিয়ালে থাকা যোগ্য প্রার্থীদের কে বাদ দিয়ে তিন নম্বর সিরিয়ালে থাকা প্রার্থী মোঃ কছিম উদ্দিনের স্ত্রী হাবিবা খাতুনকে জীব বিজ্ঞানের শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দেন। এক এবং দুই নম্বর সিরিয়াল বাদ দিয়ে তিন নম্বর সিরিয়ালের প্রার্থী নিয়োগের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন বলেন, গর্ভনিং বডির সদস্য চেয়েছেন বলে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে , কোন সদস্য চেয়েছেন জানতে চাওয়া হলে নাম বলতে পারেননি।

মোঃ কছিম উদ্দিনের কাছে তার স্ত্রীর নিয়োগ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনি অধ্যক্ষ নিয়োগ দিয়েছেন বলে জানান। আর ভূয়া ভাউচারে স্বাক্ষর এর বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে কোন উত্তর না দিয়ে চুপ করে থাকেন। শুধু হাবিবা খাতুনকে ৩ নম্বর সিরিয়াল থেকে নিয়োগ দিয়েছেন তাই নয় ৭ নম্বর সিরিয়ালে থাকা হাবিবুল্লা বাহারকে এ্যাকাউন্টিং শিক্ষক হিসাবে নিয়োগ দিয়েছেন অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন। আর মনোবিজ্ঞানের শিক্ষক, রুবিনা আক্তার দিনা ডিগ্রী কোঠায় নিয়োগ প্রাপ্ত হলেও গত ৫-৬ বছর ধরে মনোবিজ্ঞানের ডিগ্রীতে কোন ছাত্রী ভর্তি হয় নাই।

ভূয়া ভাউচারে স্বাক্ষরের বিষয়ে রুবিনা আক্তার দিনার কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি উত্তেজিত হয়ে বলেন , এখানে কোন ভূয়া ভাউচার হয় না যা হয় সব ঠিক আছে আর কখনো এ বিষয়ে ফোন দিবেন না। যেহেতু নিজের চাকুরী বাঁচাতে হবে সেহেতু দুর্নীতিবাজ,চরিত্রহীন অধ্যক্ষের গুনমুগ্ধ হবেন সেটাই স্বাভাবিক। অথচ ভূয়া ভাউচারে স্বাক্ষর করতে রাজী না হওয়ায় সহকারী অধ্যাপক মোঃ সাহাদাৎ হোসেনকে এক বছরের বেশী সময় ধরে সাময়িক বরখাস্ত করে রেখেছেন।

অপরাধ হিসাবে দেখিয়েছেন মোঃ শাহাদাৎ হোসেন কলেজ মার্কেটে কলেজ সময়ের পরে ব্যবসা করেন। মোঃ শাহাদাৎ হোসেনের ব্যবসা বিষয়ে খোঁজ নিয়ে জানা যায় ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি ছিল তার স্ত্রী শিলা পারভীন এর ট্রেড লাইসেন্স ও শিলা পরভীন নামে।

স্ত্রী ব্যবসা করার অপরাধ দেখিয়ে মোঃ শাহাদাৎ হোসেনকে বরখাস্ত করলেও হিসাব বিজ্ঞানের শিক্ষক মোঃ সাদেকুর রহমান মডেল ফার্মা ঔষধের দোকান চালালেও বরখাস্ত হয়নি শিক্ষক প্রদর্শক মোঃ মজিবুর রহমান যিনি মুক্তিযোদ্ধা মার্কেটের নীচতলায় কপড়ের দোকান করেন।

অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিনের কাছে জানতে চাওয়া হয়েছিল যে ব্যবসার কারণ দেখিয়ে মোঃ শাহাদাৎ হোসেনকে বরখাস্ত করেছেন অন্য শিক্ষকরা ব্যবসা করছে তাদের বিরুদ্ধে কেন কোন ব্যবস্থা নেন নাই উত্তরে অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন বলেন অন্য শিক্ষকরা ব্যবসা করেন সেটা তার জানা নাই অবশ্য মডেল ফার্মা থেকে তিনি ঔষধ কিনেন কিন্ত জানেন না বলে দাবী করেন আর বলেন শাহাদাৎ হোসেন আবেদন করলে তার চাকুরী ফিরিয়ে দিবেন।

অবশ্য কোন এক ব্যক্তির সাথে কথা বলার সময় অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন তাকে বলছেন আমার কথা কোন শিক্ষক না শুনলে তার অবস্থা শাহাদাৎ হোসেনের মতো করবো সেই কথপোকথনের কল রেকডটি আমাদের কাছে পাঠিয়েছেন জৈনিক ব্যাক্তি।

২০০৮ সালে নারায়নগঞ্জ এর সোনারগাঁয়ের জি আর কলেজে অধ্যক্ষ থাকাকালীন শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তির ও গ্রামীন টাওয়ারের টাকা আত্মসাৎ সহ বিভিন্ন অপকর্মে জড়িত থাকার প্রমান পেয়ে কলেজ কমিটি ঘরের দরজা বন্ধ করে অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিনকে ব্যাপক মারধর করে কলেজ থেকে বের করে দেন।

কয়লা ধুলে ময়লা যায় না মার খেয়েও নিজেকে বদলাতে পারেননি ময়েজ উদ্দিন। চরিত্রহীন দূর্নীতিবাজ অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন কি পরিমান অর্থ হযরত শাহ্ আলী মহিলা কলেজ ও মার্কেট থেকে কি পরিমান দূর্নীতি করেছেন যে একাধিক ব্যাংককে টাকা রাখতে হয়েছে।

সোনালী ব্যাংক,লস্কর হাট-ফেনী- হিসাব নং ১০০০৫২৮২৪,অগ্রনী ব্যাংক-মিরপুর -১ হিসাব নং ৩৪১৪৩৫৪১,ন্যাশনাল ব্যাংক, মাজার রোড় মিরপুর-১ হিসাব নং ১২০৩০০৩২০১৫৭ মার্কেন্টাইল ব্যাংক মিরপুর-১ হিসাব নং ০১৪৪১২১০০০১৬২।

বোনের স্বামী এলজিডি র অবসর প্রাপ্ত ইঞ্জিনিয়ার মীর হোসেনের সাথে টং রোড় ফেনীতে হোপ প্লাস মার্কেটের শেয়ার। ঢাকায় দক্ষিন বিশিল এ জায়গা কেনা জিপিওতে কোটি টাকার সঞ্চয়পত্র বোনকে নমীনি করেছেন।

অধিদপ্তরের তদন্তের পত্র পাবার পর থেকে মরিয়া হয়ে উঠেছেন অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন নিজের দূর্নীতি ঢাকতে অগনিত ভূয়া ভাউচার তৈরী রেজুলেশন খাতাকে ঠিক করতে গিয়ে এতো বেশী নষ্ট করে ফেলেছেন যে একটু ভালো করে রেজুলেশন খাতা চেক করলেই থলের বিড়াল বেড়িয়ে আসবে। ইতি মধ্যে জাতীয় বিশ^বিদ্যালয় ও,শিক্ষা মন্ত্রীর দপ্তর এবং দুর্নীতি দমন কমিশনে অভিযোগ জমা পরেছে।

অধ্যক্ষ ময়েজ উদ্দিন জি আর কলেজ নারায়নগঞ্জ সোনারগাঁও এবং হযরত শাহ্ আলী মহিলা কলেজে ২০১৫ সাল থেকে প্রতি মাসে কোন খাত থেকে কত টাকা আত্মসাৎ করেছে কি ভাবে মার্কেটের দোকানদারদের জিম্মি করে অতিরিক্ত টাকা আদায় করেছে,কিভাবে মার্কেটের দোকান বিক্রি করেছে এবং অবৈধ্য ভাবে দোকান ভাড়া দিয়ে টাকা লুট করেছে তার বিস্তারিত থাকছে আগামী পর্বে। চলবে ………………………………….

A House of M.R.Multi-Media Ltd
Design & Development By ThemesBazar.Com