শিরোনাম :
মুক্তিযোদ্ধাদের স্বপ্নে আবার জ্বলে উঠুক আমাদের বাংলাদেশ ইসলামপুরে এফ এইচ খান বুদ্ধি প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ের শিক্ষাথীদের মাঝে শীত বস্ত্র বিতরণ ইসলামপুরে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে শিক্ষককে মারধর ভোক্তাদের ভিন্নধর্মী ক্যাটারিং অভিজ্ঞতা দিতে হুয়াওয়ের সাথে সোডেক্সো প্রায় ২০০ এর অধিক মৃতের কবর খনন করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে জুয়েল ও সহযোগী হিমেল গ্রাম বাংলার ঐতিহ্যবাহী গরুর গাড়ির দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত স্যামসাং আনপ্যাকড ইভেন্ট-ওয়েলকাম টু দ্য এভরিডে এপিক শহিদ মিনারের দাবীতে ইসলামপুরে ৯৭ব্যাচের মানববন্ধন এমদাদুল হক খান চান স্যার স্মৃতি ফাউন্ডেশনের শীতবস্ত্র বিতরণ নৌকা হলো উন্নয়ন ও ভাগ্য পরিবর্তনের প্রতিক,ব্যক্তিকে নয় নৌকাকে ভালোবাসি


যৌতুকের দাবীতে গৃহবধুঁকে নির্যাতন,সহোদর ভাই সহ স্কুল শিক্ষক জেল হাজতে

বাবুল আকতার,সাপাহার(নওগাঁ)প্রতিনিধি ::
নওগাঁর সাপাহার উপজেলার আশড়ন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আসাদুজ্জামান পল্টন ও তার সহোদর খোরশেদ আলম লিটন কে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে দায়েরকৃত একটি মামলায় বিজ্ঞ আদালত জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন।

আদালতে দায়েরকৃত মামলা সূত্রে জানা গেছে, পত্নীতলা উপজেলার নোধুনী গ্রামের মৃত মোজাম্মেল হকের মেয়ে তানজিলা আফরিন নাহার এর সাথে ধামইরহাট উপজেলার উদয় শ্রী গ্রামের সিরাজ উদ্দীনের ছেলে খোরশেদ আলম লিটনের গত ২০১১ সালে বিয়ে হয়।

বিয়ের পর ব্যবসা করার নামে ১ লক্ষ টাকা যৌতুক নেয় খোরশেদ আলম লিটন। সংসার চলাকালীন সময়ে তাদের দুটি ছেলে সন্তান জন্ম নেয়। পরবর্তী সময়ে সে কোন প্রকার ব্যবসা বানিজ্য না করে ওই টাকা খেয়ে ফেলে।

তাদের সংসারের অভাব অনটন দেখে ওই যৌতুক লোভী স্বামীকে সুখের আশায় নজিপুরে একটি জুতার দোকান করে দেয় স্ত্রী পক্ষের লোকজন। অল্পদিনের মধ্যে সেই জুতার দোকানের সমুদয় পুঁজি নষ্ট করে ফেলে লিটন।

পরবর্তী সময়ে সে আবার কাপড়ের দোকান করার জন্য টাকা দাবী করে। তার দাবীর প্রেক্ষিতে এক মাত্র বোনের সুখের কথা চিন্তা করে আবারো তাকে একটি কাপড়ের দোকান করে দেয়া হয়। যৌতুক লোভী স্বামী আবারো বাবার বাড়ি থেকে দুই লক্ষ টাকা যৌতুক আনার জন্য স্ত্রী তানজিলা আফরিন নাহার কে চাপ প্রয়োগ করে।

এবার স্বামীর দাবীকৃত যৌতুকের টাকা দিতে অপারগতা প্রকাশ করায় লিটনের সহদোর ভাই সাপাহার উপজেলার আশড়ন্দ উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আসাদুজ্জামান পল্টন ও ছোট বোন নাসরিন সুলতানার সহযোগীতায় তানজিলা আফরিন নাহার কে মারপিট করে বাড়ী থেকে তাড়িয়ে দেয়া হয়।

যৌতুকের টাকা ছাড়া তার সাথে সংসার করা যাবেনা বলে জানিয়ে দেয়। এ অবস্থায় বাবার বাড়ীতে থাকা কালে গত ১৫ মার্চ ২০২০ তারিখে আফরিন নাহার জানতে পারে যে তার স্বামী কোন প্রকার অনুমতি ছাড়াই পত্নীতলা উপজেলার পাটিচরা গ্রামের জালাল উদ্দীনের মেয়ে জিয়াস মিনকে দ্বিতীয় স্ত্রী হিসেবে বিয়ে করে ঘর সংসার করছে।

এমতাবস্থায় নিরুপায় হয়ে আফরিন নাহার বাদী হয়ে উল্লেখিত তিন জনের বিরুদ্ধে বিজ্ঞ আদালতে নারী শিশু নির্যাতন দমন আইনে একটি মামলা দায়ের করেন। নির্যাতনের শিকার তানজিলা আফরিন নাহার এর দায়েরকৃত মামলায় আসামীগন গত রোববার বিজ্ঞ আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত স্বামী ও তার সহোদর ভাইয়ের জামিন না মঞ্জুর করে তাদের কে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ প্রদান করেন।

A House of M.R.Multi-Media Ltd
Design & Development By ThemesBazar.Com