শিরোনাম :
পাবনা-৪ আসনে উপনির্বাচন চলছে সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার ৫টি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ১০০ জোড়া বেঞ্চ বিতরণ কক্সবাজার জেলা পুলিশের শীর্ষ কর্মকর্তাসহ ১,৩৪৭ সদস্যের বদলী পাগলীটি মা হয়েছে বাবা হয়নি কেউ প্রবাসীদের বাস্তব জীবনের গল্প নিয়ে এস এম কামরুজ্জামান সাগরের – অবদান সাপাহারে দীর্ঘ দুই বছরেও ইউনিয়ন ভুমি অফিস ভবন নির্মাণ কাজ শেষ হয়নি ছাতক সিমেন্ট ফ্যাক্টরি পরিদর্শন আব্দুস শহীদ এমপির গোপালগঞ্জ জার্নলিস্ট ফেডারেশনকে কম্পিউটার উপহার দিলেন জেলা প্রশাসক হাওর এলাকার ভূমি অবক্ষয় মোকাবেলায় টেকসই ভূমি ব্যবস্থাপনা প্রযুক্তি প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত সরিষাবাড়ীতে ঠিকাদারের বিরুদ্ধে টেন্ডার বহির্ভূত গাছ কাটার অভিযোগ


কক্সবাজারে অবঃ মেজর সিনহা হত্যা মামলায় এসপি মাসুদকে আসামী করার আবেদন খারিজ

বেলাল আজাদ, কক্সবাজার প্রতিনিধি :: দেশব্যাপী আলোচিত সেনা কর্মকর্তা মেজর অবঃ সিনহা হত্যা মামলায় কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেনকে আসামী হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করার আবেদন খারিজ করে দিয়েছে আদালত ।

বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর)  কক্সবাজারের বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট জনাবা তামান্না ফারাহ’র আদালতে মেজর অবঃ সিনহা হত্যা মামলার বাদী ও মেজর সিনহার বড় বোন শারমীন শাহরিয়া ফেরদৌস আইনজীবীর মাধ্যমে কক্সবাজারের পুলিশ সুপার (এসপি) এবিএম মাসুদ হোসেনকেও আসামী হিসেবে নাম সংযুক্ত করার আবেদনখানা করেন। আদালতের ম্যাজিস্ট্রেট আবেদনটি শুনানি শেষে পরে আদেশ দেওয়ার অপেক্ষায় রেখেছিলেন। আদালত বিকাল ৫টার দিকে আবেদনটি খারিজ মর্মে আদেশ দেন।

আলোচিত সেনা কর্মকর্তা মেজর অবঃ সিনহা হত্যা মামলার বাদীপক্ষের আইনজীবী সিনিয়র এডভোকেট মোহাম্মদ মোস্তফা সাংবাদিকদের এক ব্রিফিংয়ে জানান, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার এবিএম মাসুদ হোসেন মেজর সিনহা হত্যা মামলার তদন্ত কাজে ব্যাঘাত সৃষ্টি করেছেন।

তিনি মেজর অবঃ সিনহা হত্যা মামলার অন্যতম আসামি বরখাস্তকৃত টেকনাফ থানার ওসি প্রদীপ কুমার দাশ ও এসআই লিয়াকতকে কারাগারে ডিভিশন দেওয়ার জন্য চিঠি দিয়েছেন। আসামিদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। অর্থাৎ এসপি এবিএম মাসুদ হোসেন তার দাপ্তরিক কার্যক্ষমতা আসামিদের পক্ষে কাজে লাগাচ্ছেন।

তাই তাকে মেজর সিংহ হত্যা মামলার আসামি হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য একটি ফৌজদারি আবেদন করেছিলাম।

মামলাটির বাদী ও মেজর সিনহার বড় বোন শারমীন শাহরিয়া ফেরদৌস জানান, এসপি এবিএম মাসুদ হোসেন ঘটনার শুরু থেকেই আসামীদের পরোক্ষ ও প্রত্যক্ষ ভাবে সহযোগিতা করে যাচ্ছেন। তিনি ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। মেজর সিনহার মানহানি করেছেন। ওই সময় তিনি গণমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন মেজর সিনহার গাড়িতে তিনি ইয়াবা ও মাদকদ্রব্য পেয়েছিলেন।

একজন পুলিশ সুপার হিসেবে তিনি এটি বলতে পারেন না। তিনি তদন্ত কাজে প্রতিনিয়ত ব্যঘাত সৃষ্টি করে চলেছেন।

উল্লেখ্য, গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ থেকে কক্সবাজারের ফেরার পথে টেকনাফ থানাধীন  শাপলাপুর বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো: রাশেদ খান। এরপর গত ৫ আগস্ট টেকনাফ থানার পরিদর্শক লিয়াকত, ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯জনকে আসামি করে কক্সবাজার বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে একটি হত্যা মামলাটি দায়ের করা হয়।

A House of M.R.Multi-Media Ltd
Design & Development By ThemesBazar.Com