শিরোনাম :
সুনামগঞ্জে লাইসেন্সবিহীন, ভেজাল ও ক্যামিক্যাল মিশ্রিত গরম মসলায় বাজার,দেখার কেউ নেই তাড়াশে সদর ইউনিয়ন পরিষদের চাল বিতরণ রাজবাড়ীতে নদী ভাঙ্গনের কবলেসনাতন ধর্মাবলম্বীদের শেষ ঠিকানা, প্রশাসনের সুদৃষ্টি কামনা সুনামগঞ্জে দুইভাইকে দাড়াঁলো ক্ষুর দিয়ে হামলায় ঘটনায় সন্ত্রাসী মোশারফের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবীতে মানববন্ধন সকল ধর্মই মানব সেবায় উদ্বুদ্ধ করে এবং মনুষ্যত্বের বিকাশ ঘটায় – মনোরঞ্জন শীল গোপাল এমপি ফিক্সড মোবাইল কনভার্জেন্স অ্যাকসেসের জন্য বাণিজ্যিকভাবে এয়ারপোন সমাধান চালুর ঘোষণা হুয়াওয়ের টেকনাফে প্রতিপক্ষের গুলিতে চিহ্নিত এক ‘ডাকাত’ নিহত সবুজ দেশ নিউজ ফুটবল টুর্ণামেন্টে কালীগঞ্জ প্রেসক্লাব চ্যাম্পিয়ন তাড়াশে ভূমিহীন মুক্তিযোদ্ধাদের সরকার প্রদত্ত ভূমি বেদখল স্বাধীনতার ইতিহাসে ইদ্রিছ আলী মাস্টার-এর কৃতিত্ব


উপবৃত্তি প্রদানে অনিয়ম

মাসুম মোল্লাহ (পাবনা )প্রতিনিধি :: বর্তমান সরকার হাইস্কুলের উপবৃত্তির ব্যবস্থা করেছে, প্রধানমন্ত্রীকে অনেক ধন্যবাদ সেই সাথে ধন্যবাদ শিক্ষা মন্ত্রণালয় সচিব এবং মন্ত্রী মহোদয় এবং প্রতিমন্ত্রী মহোদয়কে ।

আসলেই উপবৃত্তি প্রদান একটা যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত ছিল, কিন্তু তার কতটুকু স্বদ্ব ব্যবহার হচ্ছে ? সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা কতটুকু অবগত আছে সে বিষয়ে।  এই উপবৃত্তির টাকা কাদের জন্য ?

নিম্ন আয়ের পরিবারগুলো রয়েছে তাদের জন্যই উপবৃত্তি ব্যবস্থা চালু করা হয়েছে। কিন্তু ওই উপবৃত্তির বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের যে নীতিমালা আছে ,অভিভাবকরা এবং স্কুলের শিক্ষকরা এ বিষয়ে কতটুকু অবগত আছেন।

এ বিষয়টা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জানা আছে কি ? উপবৃত্তি পাওয়ার কথা নিম্ন মধ্যবিত্ত আর দরিদ্র জনগোষ্ঠী যারা স্কুলের যাবতীয় খরচ মেটাতে অক্ষম। এ বিষয়ে যদি  সরোজমিনে খোজঁ নিলে জানা যাবে অনিয়ম, স্বেচ্ছাচারিতা নাকি  সুষ্ঠ বন্টন ?
সরকার কর্তৃক গৃহীত বাছাই পদ্ধতি নিম্নরুপ ঃ

দারিদ্রতার ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের নির্বাচন পদ্ধতি: ৩১ জনুয়ারি ২০২০ সালে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে (সাধারণ ও মাদ্রাসা) ষষ্ঠ শ্রেণীতে ভর্তিকৃত ছাত্রের ২০% এবং মোট ছাত্রের ৪০% হারে সুবিধাভোগী শিক্ষার্থী নির্বাচন করে উপবৃত্তি বিতরণ করতে হবে। সুবিধাভোগী নির্বাচনের ক্ষেত্রে অপেক্ষাকৃত দরিদ্র পরিবারের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্রাইটেরিয়া অনুসারে বাছাই করতে হবে।

তবে অনগ্রসর এবং সুবিধাবঞ্চিত নিম্নবর্ণিত ৪২ টি উপজেলায় মাধ্যমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তিকৃত ১০০% শিক্ষার্থী (উপজেলা স্থায়ী নাগরিক) এই কর্মসূচির সুবিধাভোগী হবে।

বর্তমান সরকার সমন্বিত উপবৃত্তি কর্মসূচির আওতায় জুলাই ২০২০ থেকে নিম্নোক্ত হারে শ্রেণীভিত্তিক অনুযায়ী উপবৃত্তি টিউশন ফি ও অন্যান্য সুবিধা প্রদান করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে:

  • ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা মাসিক ২০০ টাকা হারে এক বছরে মোট ২৪০০ টাকা পাবে। এর মধ্যে প্রতি মাসে ৩৫ টাকা টিউশন ফি হিসেবে ১২ মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে প্রদান করা হবে ৪২০ টাকা। ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা টিউশন ফিসহ এক বছরে মোট উপবৃত্তি পাবে ২৮২০ টাকা।
  • অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা মাসে ২৫০ টাকা হারে এক বছরে ৩০০০ টাকা উপবৃত্তি পাবে। অষ্টম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিষ্ঠানকে দেওয়া হবে ৩৫ টাকা করে টিউশন ফি।
  • নবম ও দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীরা মাসে ৩০০ টাকা হারে এক বছরে ৩৬০০ টাকা উপবৃত্তি এবং এককালীন পরীক্ষার ফি বাবদ ১০০০ টাকা দশম শ্রেণির শিক্ষার্থীরা পাবেন। নবম ও দশম শ্রেণীর শিক্ষার্থীদের জন্য প্রতিষ্ঠানকে টিউশন ফি দেওয়া হবে ৫০ টাকা হারে।

টিউশন ফি মওকুফ: সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের টিউশন ফি মওকুফ থাকবে। বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের অনুকূলে স্কিম ডকুমেন্ট মোতাবেক নির্ধারিত হারে টিউশন ফি প্রদান করবে সরকার। উপবৃত্তি প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের নিকট হতে কোনোক্রমেই টিউশন ফি আদায় করা যাবেনা।

এখন আসি আসল কথায়, তাহলে বাংলাদেশের গ্রাম অঞ্চল গুলোতে কি সুষ্ঠভাবে  উপবৃত্তি কার্যক্রম পরিচালনা করছে স্কুল,কলেজ  কর্তৃপক্ষ ?  

পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে প্রতিটা জেলার স্কুল এবং কলেজগুলোতে উপবৃত্তি কার্যক্রম কিভাবে চলছে তা আমরা তুলে ধরার চেষ্টা করব।

A House of M.R.Multi-Media Ltd
Design & Development By ThemesBazar.Com