শিরোনাম :
অপু-নিরবরা শুটিং শেষ না করে ফিরে এলেন একই রোল নিয়ে যাবে পরের ক্লাসে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা মরিচা ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রী’র প্রকল্প আশ্রয়ন-২ এর আয়তায় ছিন্নমুল গৃহহীন পরিবার কে পুনর্বাসন মাগুরায় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন সুনামগঞ্জ পৌরসভায় ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে পৌর পানি শোধনাগারের উদ্বোধন বীরগঞ্জের ঝাড়বাড়ী গড়ফতু ডাঙ্গায় মহিলা মহিলায় দাঙ্গা থানায় স্বর্নলংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগ। লক্ষণাবন্দ ইউনিয়ন বিএনপির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহে চলছে ভন্ড কবিরাজদের চিকিৎসার নামে প্রতারনা সরিষাবাড়ীতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে মাস্ক বিতরণ মেয়র প্রার্থীর আসন্ন দিরাই পৌরসভা নির্বাচন, মেয়র পদে আওয়ামীলীগ বিএনপির অর্ধডজন প্রার্থীর দৌঁড়ঝাপ


হযরত সৈয়দ শাহ্ আলী বাগদাদী (রহঃ):: মোঃ শহিদ মিয়া চিশতী বিদ্যাকূটি

মিরপুর তথা ঢাকার অন্যতম প্রখ্যাত সূফী সাধক ‘সুলতানুল আউলিয়া হযরত সৈয়দ শাহ্ আলী বাগদাদী (রহঃ)’সুদূর বাগদাদ থেকে, এ দেশে ইসলাম প্রচার করার জন্য বাগদাদ ত্যাগ করে, ৪০ জন সঙ্গীসহ প্রথমে তিনি দিল্লীতে আগমন করেন। দিল্লীতে অবস্থানকালে তিনি রাজ-আনুকূল্য পান এবং রাজার শ্রদ্ধাভাজন অতিথি হিসেবে সকলের নিকট গৃহীত হন। তাঁর সঙ্গে তাঁর ভাগ্নে শাহ হাবিবও ছিলেন।

ফোরাতের তীরে এক বিখ্যাত সুলতান পরিবারে তিনি জন্ম গ্রহণ করেন। তাঁর পিতার নাম হযরত শাহ ফখরুদ্দীন রাজি। তিনি অল্প বয়সে দীক্ষা গ্রহণ করেছিলেন এবং দীক্ষা প্রদানের অধিকারও পেয়েছিলেন। তিনি বাংলায় আগমন করেন ইসলাম প্রচার ও সূফী সাধনার প্রসার ঘটাবার জন্যে। যে সময় তিনি বাগদাদ পরিত্যাগ করেন সে সময়ে বগদাদে শিয়া সুন্নীদের মধ্যে প্রচন্ড বিরোধ চলছিল।

দিল্লীতে অবস্থান কালে দিল্লীর সুলতান সৈয়দ আলাউদ্দীন তাঁর কন্যার সঙ্গে হযরত শাহ্ আলী(রহঃ)-এর বিয়ের প্রস্তাব করেন। হযরত শাহ্ আলী (রহঃ) প্রথমে এ বিয়ের প্রস্তােেব স্বীকৃত ছিলেন না। কেননা তিনি একজন ফকীর,রাজকন্যাকে কেন বিয়ে করবেন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত রাজার বিশেষ অনুরোধে তিনি রাজকন্যা আয়েসার সাথে এ বিয়ে কবুল করেন। বাহলুল লোদির আক্রমনে দিল্লী যখন বিপর্যস্ত তখন গুলমুহাম্মদ সওদাগরকে সঙ্গে নিয়ে তিনি দিল্লীত্যাগ করেন।

তিনি বাগদাদ থেকে আসার সময় সাথে বয়ে এনেছিলেন রাসূল (সাঃ)-এর মুই মোবারক, হযরত আলী (রাঃ)-এর জুলফ, হযরত হোসেন (রাঃ)-এর মাথার পাগড়ী, হযরত বড় পীর আবদু কাদের জিলনী (রঃ)এর জুব্বা এবং আরও অন্যান্য জিনিস পত্র। এ সকল ইসলামি নির্দশনাদী রক্ষনাবেক্ষন করার নিমিত্বে ঢোল সমুদ্রের তীরে ১২০০০ হাজার বিগা পরিমান জমি তাঁকে লাখেরাজ প্রদান করেন।

তিনি দিল্লী থেকে নদী পথে বাংলায় আগমন করেন এবং ফরিদপুরের গের্দায় বসতি স্থাপন করেন। কসবা র্গেদা ছিলো ঢোল সমুদ্রের তীরে। ঢোল সমুদ্র এককালে একটি বিরাট হ্রদ ছিলো এবং যমুনা নদীর সাথে সংযুক্ত ছিলো। বর্তমানে ঢোল সমুদ্র বিশুষ্ক প্রায়, যদিও এ নামটি এখনও প্রসিদ্ধি রয়েছে। তিনি গের্দ্দায় গদি স্থাপন করেন। তাঁর এ গদি থেকেই এ অঞ্চলের নামকরন হয় গের্দ্দা। ঢোল সমুদ্রের দক্ষিণ তীরে এক যোগী বসবাস করতো।

যাদুর কৌশলে মায়ার ইন্দ্রজালে মানুষকে ভক্ত করে রাখা হতো এবং ক্ষমতাধর ব্যাক্তি ছিলেন। এমনকি হযরত শাহ্ আলী বাগদাদী (রহঃ)-এর ইসলাম প্রচারেও সে বাধার সৃষ্টি করে। কাজেই হযরত শাহ আলী (রহঃ) আধ্যাত্মিকক সাধনায় তাকে নিপাত করে বিজয় লাভ করেন।
ফরিদপুর অঞ্চলটি তখন ছিল ধলেশ্বরী পরগনা নামে। আর পরগনার অধীশ্বর ছিলেন রাজা হরিশচন্দ্র। রাজা হরিশচন্দ্র মোটামোটি প্রতাপশালী ছিলেন। গের্দা ছিল বিধর্মীদের মূল বসতি স্থান। রাজা হরিশচন্দ্রের কন্যা সম্পর্কে ফরিদপুর অঞ্চলে একটি চমকপ্রদ কাহিনী প্রচলিত আছে।

রাজা হরিশচন্দ্র হযরত শাহ আলী (রহঃ)-এর ইসলাম প্রচারে বাধা দিতে থাকলে তিনি তাঁর এক কন্যাকে বিয়ের প্রস্তাব দেন। এতে রাজা হরিশচন্দ্র তেলে বেগুনে জ্বলে ওঠে। এর মধ্যে একদিন রাজা হরিশচন্দ্রের উক্ত কন্যাকে বিষাক্ত সাপে দংশন করে। বহু ওজা-বৈদ্য, কবিরাজ যখন সাপের বিষ নামাতে পারল না, তখন গত্যন্তর না দেখে অবশেষে তার শেষ কৃত্যের জন্য শশ্মানে নিয়ে যাচিছল। এমন সময় হযরত শাহ আলী (রহঃ) সামনে পড়লে তিনি ঘটনা শুনে বললেন, এখন তো তোমরা তাকে পুড়ে ভস্মিভূত করে দেবে। তার চেয়ে মেয়েটাকে আমাকে দিয়ে দাও।

রাজা এই ফকিরের (হযরত শাহ আলী বাগদাদী রহঃ)-এর কথায় রাজী হন। হযরত শাহ আলী (রহঃ) কুরআনের আয়াত পড়ে দূর থেকে তার কফিনে ফুঁ দিলেন। এরূপ কয়েকবার ফুঁ দেওয়ার পর মেয়েটি কফিনের ভিতর থেকে ওঠে এল। রাজা হরিশচন্দ্র এ ঘটনা প্রত্যক্ষ করে নিজেও ইসলাম ধর্ম গ্রহন করলেন এবং হযরত শাহ্ আলী (রহঃ)-কে কন্যাদান করেন।
রাজা হরিশচন্দ্রের ইসলাম গ্রহনের খবর চারিদিকে ছড়িযে পরলে আরও বিধর্মীরা এসে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে থাকে অল্পকালের মধ্যে ফরিদপুর অঞ্চলে ইসলামের ব্যাপকতা লাভ হয়। মোটকথা. এ অঞ্চলে ইসলাম প্রচারে আর কোন বাধা রইল না।

হযরত শাহ্ আলী (রহঃ) কোন এক জাগায় স্থির থাকার মতো মানুষ ছিলেননা। ভুমিতে একটি স্থায়ী নিবাস নির্র্দিষ্ট হওয়া সত্বেও তিনি তাঁর সঙ্গী-সূফীদের নিয়ে বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলে নৌকা যোগে ইসলাম প্রচার করেছেন। তিনি ইসলাম প্রচারের জন্য বরিশাল,বাগেরহাট,বোলমান্দিয়া,বরিশালের দাসের কাঠি ও সরণদ্বীপ ভ্রমন করেছেন।

তিনি সুলাতন কতৃক বার হাজার একর পরিমান ভুসম্পওি লা-খেরাজ প্রাপ্ত হয়ে ফদিপুর জেলার গেরদায় বসতি স্থাপন করেন। বাংলার স্বাধীন সুলতান সামসুদ্দীন ইউসুফ শাহ্ এর রাজত্বকালে (১৪৭৪-১৪৮১ খ্রীঃ) এ অঞ্চলের গভর্নর জহির উদ্দীন খান কর্তৃক ৮৮৫হিজরী ১৪৮০ খ্রীষ্টাব্দে মিরপুরে একটি মসজিদ নির্মাণ করা হয়। তিনি ফরিদপুরের গেরদা হতে মিপুরের এ মসজিদে এসে অবস্থান গ্রহণ করেন। কাদেরিয়া তরিকার কামেল ওলি সত্বেও চিশতীয়া তরিকা মতে সাধনার জন্য ঢাকায় হযরত শাহ মোহাম্মদ বাহার শাহ (রহঃ) এর নিকট তিনি বায়াত গ্রহণ করেন।

পীর সাহেবের নির্দেশে তিনি ঢাকায় ইসলাম প্রচার করতে থাকেন। এ সময় তাঁর সঙ্গী সাগরিদ সহ মিরপুর এ মসজিদে অবস্থান করেছেন।


মিরপুরের এ মসজিদে তিনি চল্লিশ দিনের জন্য চিল্লাহ্ গ্রহণ করেন। চিল্লাহ্ হচ্ছে চল্লিশ দিনের জন্য একাগ্র সাধনায় নিমগ্ন হওয়ার উদ্দেশ্যে একটি কক্ষের মধ্যে আবদ্ধ থেকে ইবাদত করা। চিল্লাহ্ পূর্ব তিনি তাঁর শিষ্যদের উদ্দেশ্যে সতর্ক করে দেন যে, চিল্লাহ কলীন এ চল্লিশ দিন তারা যেন ধৈর্য্য ও সংযত থাকেন। চিল্লাহ রত অবস্থায় কোন ক্রমেই যেন তাঁকে বিরক্ত করা না হয় দরজা খোলার চেষ্টা না করেন। ভিতরে ঢুকে তিনি ভেতর থেকে দরজা ব›দ্ধ করে দেন। অতঃপর ৩৮ দিন অতিবাহিত দিবা গত রাত্রে এক পর্যায়ে ভেতরে সংঘর্ষের শব্দ এবং আর্তরোল শোনা যায়। ক্রমেই সংঘর্ষ ও আর্তরোলের শব্দ বৃদ্ধিপেতে থাকে।

ভেতরে পীর সাহেব বিপদে পড়েছেন মনে করে শিষ্যগণ সকালে দরজা ভেঙ্গে ভেতরে ঢুকেন। ভেতরে ঢুকার পর সংঘর্স ও আর্তরোল থেমে যায় এবং ভেতরে দেখতে পায় দেহের ছিন্ন বিচ্ছিন্ন অংশবিশেষ ছড়িয়ে ছিটিয়ে পড়ে রয়েছে।

এমন সময় উপর থেকে নির্দেশ শুনতে পেলেন তারা বুঝতে পাররেন এটি সুলতানুল আউলিয়া হযরত শাহ্ আলী বাগদাদী (রহঃ) এর কন্ঠস্বর। তাদের নির্দেশ করলেন, “যেখানে আছে সেখানেই সমাহিত কর”।

এ মসজিদের মধ্যেই তাঁকে সমাহিত করা হয়। সেদিন হতে এ মসজিদটি সুলতানুল আউলিয়া হযরত শাহ্ আলী বাগদাদী (রহঃ)-এর মাজার শরীফে পরিণত হয়।

হযরত শাহ আলী বাগদাদী (রহঃ) ছিলেন একজন উচ্চস্তরের অধ্যাত্মিক সাধক। তার সাধনার ইতিবৃত্ত দেখে সূফী দর্শনের দিকদর্শন পরিলক্ষিত হয়। সূফী সাধনার পূর্ণতা ঘটে ফানা ফিল্লাহ্র মাধ্যমে বাকাবিল্লাহ-এ উপনীত হওয়ার মাধ্যমে।

“ফানাফির-রসূল’ লাভের পর নূরই মোহাম্মদীর মাধ্যমে নূর-ই-তাজাল্লী লাভ হয়। নূরই তাজাল্লীর দীদারের মাধ্যমে সাধক ধ্যানের উচ্চতম পর্যায়ে উপনীত হন। এই স্তরের সূফী ধ্যান ও তন্ময়তার মাধ্যমে ব্যক্তিগত আত্মচেতনাকে মুছে দিয়ে সত্যের অসীম চেতনায় উন্নিত হন এবং সাধকের ব্যক্তিগত চৈতন্য আল্লাহর মোরাকাবা ও প্রেমে সমাহিত হয়।

একেই বলে ফানা ফিল্লাহ্। ফানাফিল্লাহ্র স্তরের চিল্লাহ্ বা ৪০ দিন একযোগে নির্জনে ধ্যান করার নিয়ম কোন কোন তরীকায় প্রচলিত আছে। হযরত শাহ আলী বাগদাদী (রহঃ) সম্পর্কে অনুরূপ আধ্যাত্মিক সাধনার উল্লেখ্য পাওয়া যায়। উলেখ করা প্রয়োজন যে, হযরত শাহ আলী বাগদাদীর অনুরূপ চিল্লাহ্ নিঃসন্দেহে চিশতীয়া তরিকার ফানাফিল্লাহ্ বটে, যার অর্থ আত্মবিলোপ, আত্মবিসর্জন বা সমস্ত ভোগ কামনা ধ্বংশ করে স্রষ্টার উদ্দেশ্যে আত্মবিলয় ঘটানো।

কিন্তু তিনি হয়তো বাকাবিল্লাায় পৌছার পূর্বেই তাঁর মুরীদানের দ্বারা বাধাপ্রাপ্ত হলেন।
সূফী তত্ত্বজ্ঞগন বলে থাকেন যে, মহৎ সাধক সিদ্ধির এক চরমতম পর্যায়ে পৌছেছিলেন যখন তাঁর শরীর ছিন্নবিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছিল। ৪০ দিন পূর্ণ হলে এগুলো আবার পূর্ন অবয়ব পেয়ে বিকাশ লাভ করতো।

মিরপুরে তাঁর ওফাৎ সংক্রান্ত উপাখ্যানটি এক অদ্ভুত রহস্যময় ঘটনা। মসজিদকে মাজারে রূপান্তরিত করণ এবং ইন্তেকালের অদ্ভুত রহস্যের নজির ইতিহাসে এমন আর কোথাও দেখা যায়না। (ইংরেজ আমলে গেজেটিয়ারের রচয়িতা মিঃ বি, সি,অ্যালেন এ তথ্যটি উল্লেখ করেছেন।)
তাঁর ইন্তেকালের সময় নিয়ে ঐতিহাসিকদের মধ্যে মতপার্থক্য পরিলক্ষিত হয়। মাজারে স্থাপিত শিলালিপি ও মিঃ বি,সি, ্অ্যালেন গেজেটিয়ারে বর্ননা করা হয়েছে ৯৮৫ হিজরী বা ১৫৭৭ খ্রীষ্টাব্দে তিনি ইন্তেকাল করেন এবং তাঁকে ১৪৮৫ খ্রীণ্টাব্দে নির্মিত একটি মসজিদে সমাহিত কার হয়। তাঁর পাঁচ ছেলে ২ মেয়ের মধ্যে বড় ছেলে হযরত শাহ উসমান পিতার নিকট থেকে পূর্বেই দীক্ষা পেয়ে ছিলেন এবং তিনি পিতার স্থলাভিষিক্ত হন।

সুলতান শামস উদ্দীন উসুফশাহের শাসনামলে গর্ভণর জহির উদ্দীন খান ৮৮৫ হিজরী ১৪৮০ খ্রীঃ ঢাকার মিরপুরে একটি মসজিদ নির্মান করেন। এমসজিদেই হযরত শাহ আলী বাগদাদী (রহঃ) ৪০ দিনের চিল্লাহ্ গ্রহন করেন এবং ১৫৭৭ খ্রীষ্টাব্দে মসজিদটি হযরত শাহ্ আলী বাগদাদী (রহঃ)-এর মাজার শরীফে পরিনত হয়। বর্গকার ইমারতটি খুব মজবুত স্থাপত্য কাঠামোর ওপর নির্মিত। পানদানতিক পদধতিতে নির্মিত একটি গম্ভুজে আচ্ছাদিত এর শির্ষে রয়েছে তিনটি কলসের ওপর একটি সুন্দর পদ্মকলি। অভ্যন্তরিন দিক থেকে গম্ভুজের উদগমস্থলে রয়েছে ঘুরানো মারলোন নকশা। এর নিচে অ্যরাবেক্স অনুরূপ নকশা, বাইরে ছাদ। কিনারায় একটি আরবি শিলালিপি ও একটি ফার্সি শিলালিপি। শিলালিপির লেখার ধরনকে তুগরা বলা হয়।

সূফী-দরবেশদের ‘ইলম-ই-মারেফাত’ বা আধ্যাত্ম জ্ঞান রাজ্যের বাদশাহ মনে করা হয়। তাই তাদের বলা হয় শাহ্। আর ‘সুলাতান’ মানে ‘দলীল’ বা প্রমান। ইসলামের খিদমতে আত্মনিবেদিত অধিকাংশ ওলী-দরবেশকে তাঁদের মুর্শিদ ‘দলীল’ বা ‘সনদ’ দিয়ে ভিন্ন দেশে তওহীদ প্রচারের জন্য পাঠাতেন।

এ হিসেবে তাঁদের বলা হত ‘সুলাতান। যেহেতু শাসক ও আমীর-উমরা উর্ধতন শাসকের ‘সনদ’ নিয়ে প্রশাসক নিেেয়াজিত হন, তাদেরও এ অর্থেই ‘সুলতান’ আখ্যা দেওয়া হয়।

এভাবেই তাঁর নামের সঙ্গে ‘ শাহ সুলতান’ সংযোজিত হয়েছে। সুলাতানুল আউলিয়া হযরত শাহ্ আলী বাগদাদী (রহঃ)-এর নামের সাথে এ ভাবেই ‘সুলতান’ উপাধি সংযুক্ত হয়েছে।

অনুগ্রহ করে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

A House of M.R.Multi-Media Ltd
Design & Development By ThemesBazar.Com