শিরোনাম :
অপু-নিরবরা শুটিং শেষ না করে ফিরে এলেন একই রোল নিয়ে যাবে পরের ক্লাসে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা মরিচা ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রী’র প্রকল্প আশ্রয়ন-২ এর আয়তায় ছিন্নমুল গৃহহীন পরিবার কে পুনর্বাসন মাগুরায় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন সুনামগঞ্জ পৌরসভায় ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে পৌর পানি শোধনাগারের উদ্বোধন বীরগঞ্জের ঝাড়বাড়ী গড়ফতু ডাঙ্গায় মহিলা মহিলায় দাঙ্গা থানায় স্বর্নলংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগ। লক্ষণাবন্দ ইউনিয়ন বিএনপির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহে চলছে ভন্ড কবিরাজদের চিকিৎসার নামে প্রতারনা সরিষাবাড়ীতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে মাস্ক বিতরণ মেয়র প্রার্থীর আসন্ন দিরাই পৌরসভা নির্বাচন, মেয়র পদে আওয়ামীলীগ বিএনপির অর্ধডজন প্রার্থীর দৌঁড়ঝাপ


তাহিরপুরে ঝুপরি ঘরে দিন কাটছে অসহায় রফিকা বানু, ভাগ্যে জোটেনি সরকারি কোনো ভাতার কার্ড !

তাহিরপুর প্রতিনিধি :: বাঁশের কয়েকটি খুঁটির উপর দাঁড় করানো ছোট্ট একটি ঝুপরি ঘর। পুরনো ঢেউটিন আর পলিথিন দিয়ে মোড়ানো নড়বড়ে অন্যের এ ঘরটিতে মানবেতর দিন কাটছে অসহায় বৃদ্ধা রফিকা বানু । প্রায় ৬০ বছর বয়সী এ বৃদ্ধা স্বামী-সন্তানসহ সব হারিয়ে বর্তমানে মানবেতর জীবনযাপন করছে ।

সুনামগঞ্জের তাহিরপুর উপজেলার ১ নং শ্রীপুর ইউনিয়নের ৭নং ওয়ার্ডের খালাশ্রীপুর গ্রামের রফিকা বানুর ভাগ্যে এখনো পর্যন্ত জোটেনি বয়স্ক, বিধবা অথবা সরকারি কোনো ভাতা। ও পায়নি প্রধানমন্ত্রীর বরাদ্দের ঘর।

বৃহ¯পতিবার সকালে রফিকা বানুর খোঁজ নিয়ে জানা যায়, তার জীবনের দুর্বিষহ কষ্টের ইতিহাস।

তিনি জানান, প্রায় ১৫ বছর আগে স্বামী কালা মিয়া মারা যান। হতদরিদ্র স্বামী রফিকা বানুর জন্য বাড়ি ও কোনো সহায়-স¤পদ রেখে যাননি। বৃদ্ধ রফিকা বানু কোনো কাজই এখন আর করতে পারেন না। তাই কোনো উপায় না দেখে বর্তমানে মানুষের দ্বারে দ্বারে হাত পেতে ভিক্ষা করে জীবন চালাচ্ছেন।

রফিকা বানু কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, পৃথিবীতে আমার কেউ নাই। ঘর নাই। খাবার নাই। আমাকে দেখার মতো কেউ নাই। সরকারি কোনো কার্ডও নাই। তাই সরকার যেন একটি ঘর তৈরি করে দিয়ে এবং একটি বয়স্ক অথবা বিধবা ভাতার কার্ড করে দিয়ে শেষ জীবনের নিরাপত্তা দেয়, সে জন্য তিনি মাননীয়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুদৃষ্টি কামনা করেন।

এ নিয়ে রফিকা বানুর প্রতিবেশী এক যুবক আজগর আলীর সাথে কথা হলে তিনি জানান, রফিকা বানু সত্যি চরম অসহায় ও মানবেতর জীবন কাটাচ্ছেন। অন্যের যে ঝুপরি ঘরটিতে রফিকা বানু বাস করছেন যে কোনো সময় ঝড়-তুফানে সে ঘরটিকে উড়িয়ে নিয়ে যেতে পারে । এ অসহায় বৃদ্ধা কোনো সরকারি ত্রাণ বা কোনো বয়স্ক ভাতা বা বিধবা ভাতার আওতায়ও আসেননি।

আমরা সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ করছি, তাকে দ্রæত সরকারি ভাতার একটি কার্ড এবং নিরাপদভাবে থাকার মতো সরকারি একটি ঘর করে দেয়ার ব্যবস্থা করে দেন।

রফিকা বানু আরও বলেন,আমায় একটা বয়স্ক অথবা বিধবা ভাতা ভাতা কার্ড করে দাওনা বাবা, আর কত বয়স হলে । আমি বয়স্ক অথবা বিধবা কার্ড পাবো?

এ বিষয়ে ৭নং ওয়ার্ড বর্তমান ইউপি সদস্য আবুল কালাম ওরফে আবুলের সাথে একাধিক বার ফোন করলেও তিনি রিসিভ না করায় যোগাযোগ করা সম্ভম হয়নি।

A House of M.R.Multi-Media Ltd
Design & Development By ThemesBazar.Com