শিরোনাম :
অপু-নিরবরা শুটিং শেষ না করে ফিরে এলেন একই রোল নিয়ে যাবে পরের ক্লাসে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা মরিচা ইউনিয়নে প্রধানমন্ত্রী’র প্রকল্প আশ্রয়ন-২ এর আয়তায় ছিন্নমুল গৃহহীন পরিবার কে পুনর্বাসন মাগুরায় মডেল মসজিদ ও ইসলামিক সাংস্কৃতিক কেন্দ্র নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর উদ্বোধন সুনামগঞ্জ পৌরসভায় ১৭ কোটি টাকা ব্যয়ে পৌর পানি শোধনাগারের উদ্বোধন বীরগঞ্জের ঝাড়বাড়ী গড়ফতু ডাঙ্গায় মহিলা মহিলায় দাঙ্গা থানায় স্বর্নলংকার ছিনতাইয়ের অভিযোগ। লক্ষণাবন্দ ইউনিয়ন বিএনপির বর্ধিত সভা অনুষ্ঠিত ঝিনাইদহে চলছে ভন্ড কবিরাজদের চিকিৎসার নামে প্রতারনা সরিষাবাড়ীতে করোনা সংক্রমণের ঝুঁকি এড়াতে মাস্ক বিতরণ মেয়র প্রার্থীর আসন্ন দিরাই পৌরসভা নির্বাচন, মেয়র পদে আওয়ামীলীগ বিএনপির অর্ধডজন প্রার্থীর দৌঁড়ঝাপ


অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারী চাকুরীজীবিদের প্রত্যাশিত গ্রাচুয়িটি আশু প্রদান করা হোক

লেখক দীপক গাঙ্গুলী, অবসরপ্রাপ্ত হিসাব সহকারী মোচিক কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) থেকে ঃ দেশের এই মূহুর্তে রাজস্ব বিভাগের সরকারী চাকুরীজীবির সংখ্যা এবং আধা সরকারী স্বায়ত্ত¡শাসিত তথা বিভিন্ন কর্পোরেশনের চাকুরীজীবির সংখ্যা কত তা আমার জানা নেই। তবে একটা কথা অবশ্যই জোর দিয়ে বলতে পারি যে, সরকারী চাকুরীজীবি এবং বেসরকারী চাকুরীজীবিদের ভবিষ্যৎ সুরক্ষার ব্যবস্থার ফারাকটা অনেক বেশী ।

যেখানে অবসরপ্রাপ্ত পুলিশ ভাইদের রেশনিং এর ব্যবস্থা করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হচ্ছে, যেখানে পনের বছর আগে পেনশন বিক্রয়কারীদের নতুন করে পেনশন চালু করা হচ্ছে, সেখানে বেসরকারী চাকুরীজীবিদের কোন প্রকার ভবিষ্যৎ সুরক্ষারই কোন ব্যবস্থা নাই । না আছে তাদের কোনো পি.এল.আর., না আছে তাদের কোন পেনশন ব্যবস্থা ।

যার ফলে বর্তমানে শিক্ষিত বেকার যুবক যুবতীদের মধ্যে যুবতীদের মধ্যে সরকারী চাকুরীর জন্য একটা অসুস্থ প্রতিযোগীতা শুরু হয়েছে ।

উল্লেখ্য বর্তমানে আমাদের দেশের চিনিকলগুলোর অবস্থা খুবই নাজুক । ব্যাংক ঋণ নিয়ে অথবা উৎপাদিত চিনি বিক্রয়ের মাধ্যমে চাষী ভাইদের আখের মূল্য পরিশোধ করা গেলেও কর্মকর্তা কর্মচারিদের মাসিক বেতন নিতে মিহসিম খেতেহয় । কখনো কখনো তিন চার মাস পর এক মাসের বেতন নিয়ে সন্তুষ্ট থাকতে হয় ।

তারপর তারা অবসরে যান, তখন তাদের দুর্দশার সীমা পেরিয়ে যায় । একদিকে নেই কোন পেনশন ব্যবস্থা তারপর মাথার উপর খাড়ার ঘা এর মত দীর্ঘদিন চাকুরী করার পর প্রত্যাশিত গ্রাচুয়িটির যে টাকা পাওয়ার কথা , সে টাকাটাও তারা এককালিন পায়না । এজন্য তাদের দীর্ঘদিন অপেক্ষা করতে হয় । অর্থাৎ টাকাটা কবে কখন কিভাবে পাবে সেটা ভবিষ্যতের ওপর ছেড়ে দিতে হয় ।

একদিন অবসরের হতাশা অন্যদিকে উপার্জন হারিয়ে সীমাহীন আর্থিক সংকট সব মিলিয়ে অবসরপ্রাপ্তদের পরিবার পরিজন নিয়ে চরম মানবেতর জীবনযাপন করতে হচ্ছে। আর ঠিক এই সময় বিনা মেঘে বজ্রপাতের মত “করোনা“ নামের এক ভয়ংকর শব্দ তাদের জীবনটাকে আরো এলোমেলো করে দিয়েছে ।

মোদ্দা কথা হচ্ছে জীবনের শেষ বয়সে এসে পরিবার পরিজন নিয়ে তাদের অনাহারে অর্ধাহারে জীবনকাটাতে হচ্ছে । এমতাবস্থায় সরকারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রনালয়কে অতি দ্রæত কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহন করা আশু প্রয়োজন।

A House of M.R.Multi-Media Ltd
Design & Development By ThemesBazar.Com