রংপুর ব্যুরো :
উজানের পাহাড়ি ঢল ও ভারী বৃষ্টিপাতে উত্তরাঞ্চলের নদনদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা পরিস্থিতির আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তিস্তা ও দুধকুমার নদসহ বিভিন্ন নদীর পানি বিপত্সীমার কাছাকাছি কিংবা তা অতিক্রম করে প্রবাহিত হওয়ায় রংপুর ও কুড়িগ্রাম অঞ্চলের বিস্তীর্ণ নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। পানিবন্দি হয়ে পড়েছে হাজারো পরিবার, এবং নদীভাঙন শুরু হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড ও প্রশাসন স্বল্পমেয়াদি বন্যার সতর্কতা দিয়ে প্রস্তুতি জোরদার করেছে।
ভারী বৃষ্টির কারণে তিস্তা নদীর পানি বেড়ে রংপুর বিভাগের পাঁচ জেলার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তিস্তা ব্যারাজের ৪৪টি গেট খুলে দেওয়ার ফলে রংপুর, লালমনিরহাট, নীলফামারী, কুড়িগ্রাম ও গাইবান্ধার তিস্তা তীরবর্তী চরাঞ্চলের অন্তত ১০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়েছে। ডালিয়া পয়েন্টে সোমবার বিকাল ৪টায় তিস্তার পানি বিপত্সীমার ১৭ সেন্টিমিটার নিচে প্রবাহিত হলেও আগামী কয়েক দিন পানি বিপত্সীমা অতিক্রম করতে পারে বলে পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে।
গঙ্গাচড়ায় তিস্তার পানি বেড়ে সাত ইউনিয়নের প্রায় ১৫টি চর প্লাবিত হয়েছে। লক্ষ্মীটারী, কোলকোন্দ, নোহালী ও মর্ণেয়াসহ বিভিন্ন ইউনিয়নের বিস্তীর্ণ এলাকা পানিতে তলিয়ে গেছে। স্থানীয়রা জানান, রান্না ও দৈনন্দিন জীবনযাপন কঠিন হয়ে পড়েছে।
দুধকুমার নদ গত ১৮ ঘণ্টায় ২৬ সেন্টিমিটার বৃদ্ধি পেয়ে সোমবার বিকাল ৩টায় পাটেশ্বরী পয়েন্টে বিপত্সীমার ২৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন শুকনো খাবার ও মেডিক্যাল টিম প্রস্তুত রেখেছে এবং নদীতীরবর্তী এলাকায় সতর্কতামূলক মাইকিং করা হচ্ছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী কয়েক দিন ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে।
সম্পাদক : এম কামাল কবীর 📧 m.kamalkabir62@gmail.com ✆ +৮৮০১৭১৪৯২৫৬০৬ ।
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়ঃ হোল্ডিং নং ২ (৩য় তলা), রোড নং : ১, ব্লখ : খ,পি সি কালচার আদাবর,ঢাকা -১২০৭।
📧bartomankhobor@gmail.com ✆ +৮৮০১৮৮০১১৫৮৪৪
কপিরাইট @২০২৬, দৈনিক বর্তমান খবর সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। অনুমতি ছাড়া এই ওয়েবসাইটের যেকোনো লেখা, ছবি বা ভিডিও ব্যবহার করা বেআইনি ও দন্ডনীয় অপরাধ।