নারীর ক্ষমতায়নে লালপুর বাগাতিপাড়া এখন বিশ্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। দুই মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী পাওয়ায় উল্লাসে মাতোয়ারা লালপুর বাসী
লালপুর(নাটোর)প্রতিনিধি :
মন্ত্রিসভায় নারী সদস্য নারীর ক্ষমতায়নের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নাটোর-১ (লালপুর–বাগাতিপাড়া) আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য ও সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার ফারজানা শারমিন পুতুল মন্ত্রীসভার শপথ গ্রহণের আহ্বান পাওয়ার পর গুরুত্বপূর্ণ দুটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন।
নারীর ক্ষমতায়নে লালপুর বাগাতিপাড়া নাটোরে ১ আসন এখন বিশ্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন দীর্ঘদেড়যুগ পর বিএনপি সরকারের আমলে নারীর ক্ষমতায়নের যে বিকেন্দ্রীকরণ করা হয়েছে, তা নজিরবিহীন। প্রশাসনের সর্বস্তরে নারীর ক্ষমতায়নকে নিশ্চিত করা হয়েছে। তারই ধারাবাহিকতায় জাতীয় ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী হয়ে বিএনপি সরকার সরকার গঠন করার পর মন্ত্রিসভায় রেকর্ড সংখ্যক নারীকে স্থান দেওয়া হয়েছে।
এ পদক্ষেপকে নারী ক্ষমতায়নের পথে আরেক ধাপ অগ্রগতি বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। নারীর ক্ষমতায়নের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত হিসেবে নাটোর এক আসনে সংসদ সদস্যকে মন্ত্রিসভায় অন্তর্ভুক্ত করে মহিলা ও শিশু বিষয়ক ও সমাজ কল্যাণ বিষয়ক সরকার ব্যবস্থাপনায় ব্যাপক অগ্রহণের ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করছেন দুয়ারিয়া ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী মুহাম্মদ আলী জিন্নাহ এবং দুয়ারিয়া ইউনিয়ন ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব আলিমুদ্দিন আহমেদ রতন সহ একাধিক নেতৃবৃন্দ সহ প্রবীণ নেতা-রাজনৈতিক বিদরা একথা ব্যক্ত করেছেন নারী সদস্যদের অন্তর্ভুক্তির ব্যবস্থা করেন।

ফারজানা শারমিন পুতুল
ফারজানা শারমিন পুতুল দুই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে নতুন যাত্রা তে নাটোরের ১ আসনের সকল স্তররের সাধারণ পা ফাটা আপামোর জনসাধারণ তার আগামী দিন সুস্বাস্থ্য সুন্দর হোক এই প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন।
এ ব্যাপারে লালপুর বাগাতি পাড়া বাসীর প্রতি তার কৃতজ্ঞতা প্রকাশের বিষয়ে কিছু জানতে চেয়ে ফোন রিসিভ না হওয়াই বিষয়টি জানা সম্ভব হয়নি।
তাকে মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং সমাজ কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে। নারীর ক্ষমতায়নের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত ক্ষমতায়নে এখন বিশ্বের উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত। তিনি ১ লাখ ২ হাজার ৭২৬ ভোট পেয়ে নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বীদের পরাজিত করেন। পুতুল নাটোরের সাবেক প্রভাবশালী নেতা ও বিএনপির প্রয়াত যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী ফজলুর রহমান পটলের কন্যা। তার বাবা ১৯৯১, ১৯৯৬ ও ২০০১ সালে এ আসন থেকে টানা সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে এলাকায় শক্ত রাজনৈতিক ভিত্তি গড়ে তুলেছিলেন। দীর্ঘ দেড় যুগ পর বাবার হারানো আসন পুনরুদ্ধারের মধ্য দিয়ে সেই রাজনৈতিক ধারাবাহিকতাই আবারও ফিরিয়ে আনেন তিনি।
মন্ত্রীসভায় অন্তর্ভুক্তি এবং নারী, শিশু ও সমাজকল্যাণ সংশ্লিষ্ট গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পাওয়ায় এলাকায় নতুন প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে। স্থানীয় নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের আশা, জাতীয় পর্যায়ের এই দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তিনি এলাকার উন্নয়ন, নারীর ক্ষমতায়ন ও সামাজিক নিরাপত্তা কার্যক্রম জোরদার করবেন।


